রমেশ বতরা
অনুবাদ – মিতা দাস
অনেক শোরগোলের মধ্যে ওরা একটা পুরাতন প্রাসাদে পৌঁছে গেল। প্রাসাদ হলেও প্রাসাদের ভিতরের সব ঘরের দরজা বন্ধ। একটি মাত্র ঘরের দরজা খোলা ছিল। সবাই জড়ো হল এবং দুই – তিন জন করে ওরা সব দরজা ভাঙতে লাগলো । ওদের মধ্যে দুজন খোলা ঘরে ঢুকল।
সেই ঘরে একটা ট্রানজিস্টর নিচু আওয়াজে বাজছিল আর একটা লোক খাটে ঘুমাচ্ছিল।
“এ কে?” একজন আরেকজনকে জিজ্ঞেস করল।
“আমি জানি না,” অন্য জন বলল, “আমি একে এই এলাকায় কখনও দেখিনি।”
“যেই হোক না কেন,” প্রথম ট্রানজিস্টরটা জড়ো করে বলল, ” গলা টা টিপে দে !”
“আরে, সে আমাদের নিজের জাতের ও তো হতে পারে ?”
” চল তাকে জিজ্ঞাসা করা যাক।” এই কথা বলতে বলতে সে তাকে জাগিয়ে দিল।
“তুমি কে ?”
সে ঘুমের মধ্যে চোখ ঘষে বলল, তুমি কে ?
“প্রশ্ন করো না। তাড়াতাড়ি বলো নাহলে তোমাকে মেরে ফেলা হবে।”
“কেন আমাকে হত্যা করা হবে?”
“শহরে দাঙ্গা হয়েছে।”
“কেন…কিভাবে ?”
“একটি শূকর মসজিদে প্রবেশ করেছে ।”
” তাহলে আমার ঘুম কেনো বরবাদ করছো ! নাইট ডিউটি করতে হবে কারখানায় ।” এই বলে সে আবার পাস ফিরে ঘুমোতে – ঘুমোতে বলল ,
” এখানে কি করছো ? যাও গিয়ে শূকর কে মারো না !”
-0-